চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে স্টেশনে বেড়েছে যাত্রীদের চাপ। ঈদ উপলক্ষে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে রেল পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) পক্ষ থেকে। ইতোমধ্যে ১৫ দিনের জন্য ২০ জন এপিবিএন সদস্য ও ৪৪ জন আনসার মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহগামী ট্রেনসহ আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। তবে শনিবার জামালপুরগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল সোয়া ৯টায় ছাড়ার কথা থাকলেও তিন ঘণ্টা পর ১২টায় ছেড়ে গেলেও রোববার তেমন দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি যাত্রীদের।
এদিনে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সবুক্তগীন চট্টগ্রাম রেলস্টেশন পরিদর্শন করেন।
জানা গেছে, টিকিট কালোবাজারি রোধ, যাত্রীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ছিনতাই রোধসহ যাত্রীদের নিরাপত্তায় ঈদের দুইদিন আগে থেকে ১৫ দিন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে আরএনবির রেলস্টেশনের সিআই আমান উল্লাহ আমান বলেন, আরএনবির অধীনে স্টেশন এলাকায় ৩৫ জন এবং সিজিপিওয়াই এলাকায় ৯ জন আনসার সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন।
এদিকে আরএনবিতে লোকবল সংকট হওয়ার কারণে আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। পূর্বাঞ্চলে প্রয়োজন ২ হাজার ৩ জনের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১ হাজার ২ জন। আর পশ্চিমাঞ্চলে ১ হাজার ৭০১ জনের বিপরীতে আছেন মাত্র ৮৫৫ জন।
রেলওয়ের চিফ কমান্ড্যান্ট (পূর্ব) জহিরুল ইসলাম বলেন, অর্ধেক জনবল দিয়েই রেলওয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালাতে হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে বাধ্য হয়ে পূর্বাঞ্চলে সাড়ে তিন হাজার আনসার সদস্য নিতে হয়েছে।
তবে চট্টগ্রামের রেল পুলিশে জনবল সংকট আরও প্রকট বলে জানান ওসি রফিকুল হাসান। তিনি জানান, মাত্র ৫৪ জন সদস্য দিয়ে পুরো রেলপথে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। কমপক্ষে ৭০ জন সদস্য থাকলেও পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া যেত। এজন্য চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের অনেক অংশ এখনও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
জেএস/ডিজে




