s alam cement
আক্রান্ত
১০২৩১৪
সুস্থ
৮৬৮৫৬
মৃত্যু
১৩২৮

চট্টগ্রামে লকডাউন ১৫২ স্পটের ১১২ ভবন ও ৪১৫ বাড়ি

কুলিয়ে উঠতে পারছে না পুলিশও

0

চট্টগ্রাম নগরীতে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে বিভিন্ন এলাকায় লকডাউনের সংখ্যাও। বেশি সংখ্যক লকডাউন পর্যবেক্ষণে রাখতে নেওয়া হয়েছে নতুন পদ্ধতিও। সার্বক্ষণিক পুলিশ পাহারার বদলে এখন স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে লকডাউন পর্যবেক্ষণ করছে সিএমপি। সিএমপির তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে ১৫২ স্থানের ১১২টি ভবন ও ৪১৫টি ঘর লকডাউনের আওতায় রয়েছে।

চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তের প্রথমদিকে লকডাউন করে দেওয়া বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের সামনে সার্বক্ষণিক পুলিশ পাহারা বসানো হতো। এখন সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। এ অবস্থায় স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ রেখে তাদের সহযোগিতা নিয়ে লকডাউন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সিএমপি।

নতুন এই নিয়ম অনুসারে কোন এলাকায় করোনা পজিটিভ কেউ শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট থানা গিয়ে ওই এলাকায় যতটুকু অংশ প্রয়োজন তা লকডাউন ঘোষণা করে। পরে প্রতিদিন নিয়ম করে ওই এলাকা পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট থানার একটি টিম। পাশাপাশি এলাকায় স্থানীয়দের সাথে সংশ্লিষ্ট থানা থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হয়।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার আব্দুল ওয়ারিশ খান চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘রোগী শনাক্তের পরিমাণ অনেক বেড়েছে। আমরা এ কারণেই লকডাউন নিশ্চিত করতে স্থানীয়দের সহযোগিতা নিচ্ছি। এছাড়া সংশ্লিষ্ট থানা থেকে দিনে কয়েকবার করে লকডাউন করা এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘নগরে একসাথে ৬৭টি স্পটে লকডাউন চলাকাল পর্যন্ত প্রতিটি স্পটেই আমরা ফোর্স দিয়েছি। এখন ১৫২ স্পটে মোট ১১২টি ভবন আর ৪১৫টা বাসা লকডাউনে আছে। কাজেই এটা বেশ কঠিন। সংখ্যাটা প্রতিদিনই বাড়ছে।

তিনি বলেন, ‘তবে এখন আমরা যেভাবে করছি তাতেও লকডাউন নিশ্চিত করতে তেমন কোন অসুবিধা হচ্ছে না। যেহেতু থানা থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রতিদিন কয়েকবার করে স্পটে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট শনাক্ত হওয়া করোনায় পজিটিভ হওয়া রোগীর সংখ্যা ৫১২ জন। এরমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন ২৭৯ জন।

এআরটি/এসএস

ManaratResponsive

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm