চট্টগ্রামে রেলের সিসিএস দপ্তরের খোলা জায়গায় পড়ে আছে ৫৩৮ ড্রাম রাসায়নিক
ইঞ্জিন সংকটের পাঠানো যায়নি সৈয়দপুরে
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রামে পাহাড়তলীর প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তরে খোলা জায়গায় রাখা হয়েছে রাসায়নিক ভর্তি ড্রাম। এসব ড্রাম সৈয়দপুর পাঠানোর কথা থাকলেও ইঞ্জিন সংকটের কারণের তা সম্ভব হয়নি। এসব ড্রামে পেট্রোল, ডিজেল, লুবরিকেন্ট রয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পাহাড়তলী প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ভেতরে ৫৩৮টি রাসায়নিক পদার্থের ড্রাম ফেলে রাখা হয়।
কেপিআই জোন এই দপ্তরটিতে এখানে খোলা জায়গায় দাহ্য পদার্থ রাখায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, রেলওয়ে সরঞ্জাম দপ্তর থেকে মালামাল সৈয়দপুর পাঠানো হয়। নিয়মিত মালামাল পাঠানো হলেও এক বছর যাবৎ লোকমোটিভ সংকট চলছে, ফলে দপ্তর থেকে মালামাল সরবরাহ করতে গাড়ি মিললেও মিলছে না ইঞ্জিন। আগে নিয়মিত পণ্য সরবরাহ করা গেলেও বর্তমানে ১০টি ওয়াগন সাড়ে ৪ মাস লেগেছে সৈয়দপুর পৌঁছাতে। ৯৮১ নম্বর আপ মালবাহী লোকমোটিভ এসব পণ্য নেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এর মধ্যে রেল সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে মাল সরবরাহে একটি শেড নির্মাণ করতে প্রকৌশল দপ্তরকে বার বার চিঠি দিয়েও কাজ হয়নি। তাই খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে এসব রাসায়নিক পদার্থের ড্রাম।
ডেপুটি চিফ কন্ট্রোলার অব স্টোরস (ইন্সপেকশন) এসএম আল মুহিত জানান, বহু কষ্টে ইঞ্জিন ব্যবস্থা করেছি মালামাল পাঠানোর জন্য।
চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পূর্ব) শফিকুর রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছু বলতে পারছেন না বলে জানান।
জেএস/ডিজে




