চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ আছে, তবু অন্ধকার: বিতরণব্যবস্থার ২৭৬৪ কোটির প্রকল্প ৮ বছরেও শেষ হয়নি
উপকেন্দ্রের অর্জন ‘শূন্য’, ট্রান্সফরমার অকেজো হওয়ার পথে
চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে চাহিদার প্রায় তিন গুণ, সন্ধ্যার পিক সময়ে উৎপাদন উঠছে ৩ হাজার ৭৪০ মেগাওয়াটে। অথচ চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ কখন আসে, কখন চলে যায়, তার হিসাব রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে নগরবাসীর জন্য। এর মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা উন্নত করতে নেওয়া ২ হাজার ৭৬৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকার প্রকল্প আট বছরেও শেষ হয়নি। ২২টি নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণ ও ৭টি আধুনিকায়নের কাজ এগিয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। ৩ হাজার ৮১২টি ট্রান্সফরমার স্থাপনের বড় অংশের কাজ পড়ে আছে, আর নতুন বিতরণ লাইনের কাজও বাকি প্রায় ২৮ শতাংশ।

বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার এই বড় ব্যবধানের মধ্যেও বিতরণব্যবস্থার উন্নয়নে নেওয়া প্রকল্পটির অগ্রগতি কেন এত ধীর, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। দুই ধাপে মেয়াদ বাড়ানোর পরও প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। খোদ পিডিবির পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনেই উপকেন্দ্রের কাজের অগ্রগতি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ‘শূন্য’ দেখানো হয়েছে। আর ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণ বা বিদ্যমান উপকেন্দ্র আধুনিকায়নের কোনো কাজই করা যায়নি। ট্রান্সফরমারের কাজও প্রায় ৭৬ শতাংশ বাকি। যেসব ট্রান্সফরমার লাগানো হয়েছিল, সেগুলোর মেয়াদ চলে যাওয়ায় খুলে রাখা হয়েছে। সেগুলো পরিত্যক্ত পড়ে আছে। নতুন বিতরণ লাইনের কাজ বাকি প্রায় ২৮ শতাংশ। এর মধ্যে প্রকল্পটির কাজে পাঁচটি গুরুতর অডিট আপত্তিও উঠেছে।
অথচ এসব কাজের পেছনে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা।
পাঁচ বছরে খরচ ৭১৯ কোটি
২০১৮-১৯ অর্থবছরে এডিপি/আরএডিপিতে সংস্থান ছিল ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ওই বছর জিওবি বা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বরাদ্দ ও অর্থছাড় দেখানো হয়নি। তবে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
২০১৯-২০ অর্থবছরে সংস্থান ছিল ৫২ কোটি ৯০ লাখ ২৪ হাজার টাকা। এ বছর জিওবি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয় ১০০ কোটি টাকা। এর বিপরীতে অর্থছাড় হয় ৫০ কোটি টাকা। নথিতে ব্যয় দেখানো হয় ৪৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
২০২০-২১ অর্থবছরে জিওবি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩১৫ কোটি টাকা। এর বিপরীতে অর্থছাড় হয় ২০০ কোটি টাকা। প্রকৃত ব্যয় দেখানো হয় ১৯৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।
২০২১-২২ অর্থবছরে এডিপি/আরএডিপিতে সংস্থান ছিল ৩৮৬ কোটি টাকার বেশি। জিওবি খাতে বরাদ্দ ছিল প্রায় ৩৮৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। এর মধ্যে অর্থছাড় হয় ৩৮৩ কোটি ১১ লাখ টাকা। ব্যয় হয় ৩৮০ কোটি টাকা।
২০২২-২৩ অর্থবছরে সংস্থান ছিল প্রায় ৫২৮ কোটি ৪ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। জিওবি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয় ১১৩ কোটি টাকা। এর বিপরীতে অর্থছাড় হয়েছে প্রায় ৯০ কোটি ৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে প্রায় ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা।
হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত ৭২৩ কোটি ১৬ লাখ ৪৭ হাজার টাকা জিওবি অর্থছাড়ের বিপরীতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৭০২ কোটি ৪৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা। আর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় দেখানো হয়েছে ১৬ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
বেড়েছে মেয়াদ, কাটেনি জট
প্রকল্পের মূল অনুমোদিত মেয়াদ ছিল ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত। পরে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দেওয়ায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় করোনা মহামারি, পণ্য আমদানিতে বিলম্ব, নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা এবং বরাদ্দের অপ্রতুলতা।
প্রকল্পের ডিপিপি বিশ্লেষণে দেখা যায়, মূল প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল প্রায় ২ হাজার ৫০১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। পরে ২০২৩ সালে সংশোধিত প্রস্তাবে প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এরপরও প্রকল্প শেষ না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ব্যয় বাড়িয়ে ২ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা করা হয়। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনায় মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে পণ্য খাতে প্রায় ৯৯৩ কোটি ৮৬ লাখ ৮৮ হাজার টাকা, কাজের খাতে ৫৫ কোটি ৯ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সেবা খাতে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা রয়েছে।
পাঁচ বছরে উপকেন্দ্রে অর্জন ‘শূন্য’
পিডিবির এ প্রকল্পে নতুন উপকেন্দ্র তৈরির কথা ছিল ২২টি। একই সঙ্গে সাতটি উপকেন্দ্র আধুনিকায়নের কথা ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনে উপকেন্দ্রের কাজে অর্জন দেখানো হয় ‘শূন্য’।
২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত নিরীক্ষণ প্রতিবেদনে জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতা, দখল বুঝে নেওয়া এবং ক্ষতিপূরণ পরিশোধের প্রক্রিয়ার ধীরগতির কথা উল্লেখ করা হয়। ফলে কোনো উপকেন্দ্র নতুন নির্মাণ করা যেমন সম্ভব হয়নি, তেমনি আধুনিকায়নও করা যায়নি।
পরিত্যক্ত পড়ে আছে ট্রান্সফরমার
২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩ হাজার ৮১২টি ২৫০ কেভি ট্রান্সফরমারের মধ্যে ৮৩২টি এবং ৫০ কেভির ১ হাজারটির মধ্যে মাত্র ২৮টি স্থাপন করা হয়। তবে পিডিবি জানিয়েছে, সব কটি ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের শুরুর দিকে কেনা এসব ট্রান্সফরমারের ওয়ারেন্টি চলে যাওয়ায় সেগুলো খুলে রাখা হয়েছে।
ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হলেও ব্যবহার না হওয়ায় সেগুলো অকেজো হওয়ার পথে। যেসব ট্রান্সফরমার লাগানো হয়নি, সেগুলোও অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় স্টোররুমে পড়ে আছে।
স্টোরের ব্যালেন্স অনুযায়ী, ১ হাজার ৪৬৮টি ২৫০ কেভি এবং ৪৭০টি ৫০ কেভি ট্রান্সফরমার থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তা মেলেনি। এর মধ্যে হাটহাজারী, কক্সবাজার, চকরিয়া, কালুরঘাট ও আনোয়ারায় পিডিবির ইয়ার্ডে ট্রান্সফরমার রাখা হয়েছে।
প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, সব কটি ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হয়েছে। তাঁদের হাতে এখন আর কোনো অবশিষ্ট নেই। তবে প্রকল্পের শুরুর দিকে কেনা এসব ট্রান্সফরমারের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার পথে এবং ওয়ারেন্টিও চলে গেছে। ফলে পরিত্যক্ত এসব ট্রান্সফরমার ফেলে রাখা হয়েছে।
খুঁটি বসাতেও ধীর গতি
প্রকল্পে বিতরণ লাইন আধুনিকায়নের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৫৪১ কিলোমিটার। এর বিপরীতে অর্জন হয়েছে ৬৬৮ কিলোমিটার। প্রকল্পের আওতায় মোট ৮০ হাজার ৪০০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বসানো হয়েছে ৩৪ হাজার ৪২০টি।
নতুন বিতরণ লাইন নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৫৯৮ কিলোমিটার। বিপরীতে নির্মাণ হয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কিলোমিটার, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭২ দশমিক ৮ শতাংশ।
এ ছাড়া বে সম্প্রসারণ, অটোমেশন, সুইচগিয়ার, ট্রান্সফরমার ও আন্ডারগ্রাউন্ড কেবল স্থাপনসহ বিভিন্ন কাজও প্রকল্পের আওতায় রয়েছে।
পরামর্শকের পেছনে কোটি টাকা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনায় পরামর্শক সেবার জন্য প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পরামর্শক সেবার আওতায় জরিপ, পরিকল্পনা, নকশা ও তদারকির মতো কাজ রয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের এত বছর পরও জরিপ, পরিকল্পনা ও তদারকির জন্য উল্লেখযোগ্য পরামর্শক ব্যয় প্রয়োজন হওয়ায় প্রকল্প গ্রহণের সময় প্রাথমিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সক্ষমতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।
প্রকল্পের কাজে ৫ অডিট আপত্তি
পিডিবির এ প্রকল্পে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক ক্ষতির তথ্য উঠে এসেছে। প্রকল্পের ২০২১-২২ অর্থবছরের অডিট কার্যক্রমে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) অনুমোদন না নেওয়া, মন্ত্রণালয় ও ডিপিপির নির্দেশনা লঙ্ঘন এবং পিপিআর-২০০৮-এর নিয়ম ভেঙে একই ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার মতো গুরুতর পাঁচটি অডিট আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে। এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত মোট অর্থের পরিমাণ ৪৪৭ কোটি ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫২ টাকা, যা বর্তমানে অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে।
আপত্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই এসপিসি পোল, কন্ডাক্টর ও ট্রান্সফরমার ক্রয়ের মাধ্যমে ৩৬০ কোটি ৪৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬০৫ টাকার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। অডিটে এটিকে সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সময়মতো কার্যসম্পাদনে ব্যর্থ ঠিকাদারের কাছ থেকে আইন অনুযায়ী বিলম্ব জরিমানা বা লিকুইডেটেড ড্যামেজ (এলডি) আদায় করা হয়নি। এতে প্রতিষ্ঠানের ৭ কোটি ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৫ টাকার সরাসরি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
ডিপিপির নির্দেশনা উপেক্ষা করে বেসরকারি সরবরাহকারীর কাছ থেকে এসপিসি পোল ক্রয় করায় প্রতিষ্ঠানের ১৯ কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৫১৭ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে বাইরের বেসরকারি কোম্পানি থেকে অনিয়মিতভাবে ট্রান্সফরমার কেনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে টাকার অঙ্ক ৩৯ কোটি ২৫ লাখ ১৪ হাজার।
আর পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর-২০০৮) লঙ্ঘন করে নিজেদের আর্থিক সীমার মধ্যে রাখতে একই ধরনের কাজকে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। পরে একই সময়ে একই ঠিকাদারকে নিয়ে চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে অনিয়মিতভাবে ২১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার ৪৬৫ টাকার কাজ করা হয়েছে।
যা বলছে পিডিবি
এ বিষয়ে জানতে প্রকল্প পরিচালক মো. লুৎফুল হায়দার চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করতে আগ্রাবাদের বিদ্যুৎ ভবনে গেলে তাঁর দেখা মেলেনি। জানা যায়, তিনি মাসের পুরো সময়ই ঢাকায় অবস্থান করেন। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উৎপাদন বেশি হওয়ার পরও চট্টগ্রামে বিদ্যুতের আসা-যাওয়া কেন, এ প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চট্টগ্রাম সিস্টেম কন্ট্রোলের নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা জামিলী চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, চট্টগ্রামে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে চলে যায়। সেখান থেকে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে বিদ্যুৎ বিতরণ করা হয়। জাতীয় গ্রিডে চাপ থাকায় চট্টগ্রামে কাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে লোডশেডিং হচ্ছে।
পরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে এগোতে পারেনি। এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্প বাস্তবায়ন অনিশ্চয়তায় পড়ে। তবে অনেক চেষ্টায় নতুন করে বরাদ্দ পাওয়ায় প্রকল্প নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করা যাবে বলে আশা করছেন তিনি।
ডিজে/সিপি




