চট্টগ্রামে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১৩ মামলা, গ্রেপ্তার ১৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তারের পর এবার চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও মিথ্যা গায়েবি মামলা দেওয়া শুরু করেছে পুলিশ।

একইসঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে বিভিন্ন থানায় করা হয়েছে ১৩টি মামলা। এবং গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৫ জনের বেশি নেতাকর্মীকে।

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করেন মহানগর বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. ইদ্রিস আলী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির ডাকা অবরোধ ও হরতালকে কেন্দ্র করে ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগের মতো আবারও গায়েবি মামলা দায়ের শুরু হয়েছে। ঢাকার সমাবেশের পর থেকে চট্টগ্রামের দশ থানায় এই পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ১৫ জনের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসব মামলায় শত শত নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যে চান্দগাঁও থানায় ১টি, পাঁচলাইশ থানায় ১টি, বায়েজিদ থানায় ৩টি, আকবরশাহ থানায় ২টি, খুলশী থানায় ১টি, পাহাড়তলী থানায় ১টি, ইপিজেড থানায় ১টি, কোতোয়ালী থানায় ১টি, হালিশহর থানায় ১টি ও পতেঙ্গা থানায় ১টি করে মোট ১৩টি মামলা দায়ের করেছে।

সোমবার (৬ নভেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন মোড় থেকে জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির ধর্ম সম্পাদক বালুচরা এলাকার হাজী মো. সিরাজ পাশাকে বায়েজিদ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাছাড়া গতকাল রাতে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিবার কল্যাণ সম্পাদক জাকির হোসেন মিশু, চকবাজার থানা পুলিশ চট্টগ্রাম মেডিকেলের সামনে থেকে বিএনপি নেতা মো. ইউসুফ, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মেজবাহ উদ্দিন উজ্জ্বল, ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাবেদ হোসেনকে পাঁচলাইশ থানা, সদরঘাট থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন, চান্দগাঁও যুবদল নেতা জামাল উদ্দিন, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা মোহাম্মদ রাজু, বক্সির হাট যুবদল নেতা মো. সাইফুল ও মো. আবু ছৈয়দ, দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড যুবদল নেতা সামসুদ্দীন শামসুসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আরএম/ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!