চট্টগ্রামে থানার ভেতরেই পুলিশ পিটিয়ে যুবদল নেতা আটক, ছাড়িয়ে নিতে সহযোগীদের ভিড়
গাড়ি রাখা নিয়ে গণ্ডগোল
থানার প্রধান ফটকের ভেতরে গাড়ি রাখা নিয়ে শুরু হয়েছিল কথা-কাটাকাটি। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সেই কথা-কাটাকাটিই গড়ায় হাতাহাতিতে। এতে গুরুতর আহত হন পুলিশ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম। ঘটনায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। তাঁর আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাতেই সীতাকুণ্ড থানার সামনে ভিড় করেন বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা, দিতে থাকেন বিভিন্ন ধরনের স্লোগান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার প্রধান ফটকের ভেতরে গাড়ি রাখা নিয়ে পুলিশ সদস্য মো. শফিকুল ইসলামের সঙ্গে যুবদল নেতা মো. ইসমাইল হোসেনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ সদস্য শফিকুল ইসলাম আহত হন। পরে তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
তবে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দাবি, গাড়ি রাখা নিয়ে সামান্য কথা-কাটাকাটির জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. মো. কমল কদর বলেন, গাড়ি রাখার বিষয়কে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হচ্ছিল। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্য ‘আপনি আমাকে চেনেন?’ এমন বাক্য ব্যবহার করায় যুবদল নেতা ক্ষিপ্ত হয়ে এই ঘটনা ঘটান। তাঁর দাবি, একটি ছোট বিষয়কে কেন্দ্র করে একজন নেতাকে এভাবে থানাহাজতে আটকে রাখা ঠিক নয়।
এদিকে যুবদল নেতা মো. ইসমাইল হোসেনকে ছাড়িয়ে নিতে সীতাকুণ্ড থানায় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা ভিড় করেন। তাঁরা থানার সামনে বিভিন্ন ধরনের স্লোগানও দেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সিপি




