চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট কমবে ১ আগস্ট থেকে

চট্টগ্রামে আগামী ১ আগস্ট থেকে গ্যাস সংকট কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিসিডিএল)। তবে দুইদিন পর পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে।

জানা গেছে, মহেশখালীর মাতারবাড়ি এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে সারাদেশে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। গ্যাসের প্রেসার কম থাকায় রিফুয়েলিং স্টেশনে গ্যাসে নিতে গ্রাহকদের ভিড় লেগে থাকছে। প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ দিতে পারছে না স্টেশনগুলো।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. তাজউদ্দিন ঢালী চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ১ আগস্ট দুপুরের পর থেকে আংশিক ঠিক হবে। আগে ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন হত। এখন হচ্ছে ৫০০ ঘনফুট। আংশিক ঠিক হলে ২৫০ ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামে প্রতিদিন চাহিদা ২৫০ ঘনফুট গ্যাসের। কিন্তু এ মহূর্তে আমরা পাচ্ছি ২৩৪। গ্যাসের প্রেসার মূলত কম হওয়ায় অনেক বাসাবাড়ি ও শিল্পকারখানা ও রিফুয়েলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এদিকে নগরের কোন কোন এলাকায় সকালে ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গ্যাস থাকছে না। তারপর গ্যাস আসলেও প্রেসার যথেষ্ট কম থাকে।

খুলশী ওয়ারলেস এলাকার বাসিন্দা আরিফ হোসাইন বলেন, ঘুম থেকে ওঠার আগেই গ্যাস চলে যায়। বাসার সকালের নাস্তা বাইরের দোকান থেকে কিনে এনে খেতে হয়। দুপুরের রান্নাটা ইলেক্ট্রিক চুলায় সেরে আম্মু অফিসে চলে যায়। দুপুরের পর গ্যাস আসলেও প্রেসার খুব কম থাকে। কি যে একটা দুর্বিসহ অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

অপরদিকে পর্যাপ্ত প্রেসার না থাকায় নগরীর রিফুয়েলিং স্টেশনগুলো সিএনজিচালিত গাড়িতে গ্যাস দিতে পারছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিফুয়েলিং স্টেশনেও দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না গ্যাস।

জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাত।রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) বন্ধ রয়েছে। কেবল কাফকোতে সার উৎপাদন চলছে। গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

আইএমই/ডিজে

ksrm