চট্টগ্রামে ‘অস্থির’ পেঁয়াজের বাজার, ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৮০ হাজার

চট্টগ্রামে অস্থির পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। এতে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া পাহাড়তলী ও বায়েজিদ এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়েছে। সেই অভিযানে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে তিন ব্যবসায়ীকে।

ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের খবরে অস্থির পেঁয়াজের বাজার। সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দফায় দফায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

খুচরা ও পাইকারি বাজারগুলোতে কয়েকদিনের ব্যবধানে অস্বাভাবিকভাবে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নেমেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত খাতুনগঞ্জ এলাকায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুকের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

এইসময় মূল্য তালিকা না থাকা ও সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে বিক্রির অপরাধে মেসার্স মেহের আলী ট্রেডার্সকে ১০ হাজার টাকা এবং মেসার্স মোহাম্মদ আলি আহম্মদকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বায়েজিদের আমিন কলোনির ছৈয়দ স্টোরকে টিসিবির তেল বিক্রয় ও অনুমোদিত রঙ বিক্রি করার দায়ে ২০ হাজার টাকা, পাহাড়তলীর মেসার্স বাছামিয়া সওদাগর ও মেসার্স কালু শাহ এন্টারপ্রাইজকে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রির দায়ে ৪০ হাজার টাকা করে।

জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, কোনো আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য অবৈধভাবে মজুদ কিংবা এসব পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ালে জেলা প্রশাসন মজুদ করা পণ্য জব্দ করতে পারে। আড়ত এবং বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে জেল-জরিমানা, পণ্য জব্দ, আড়ত-দোকান সিলগালাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে পেঁয়াজের ক্রমবর্ধমান মূল্য নিয়ে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের সাথে বসে তাদের মতামত, পরামর্শ, যুক্তি উপস্থাপন করবে।

আরএম/ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!