চট্টগ্রামের ১৩ গুণিজনের হাতে উঠলো ‘স্বাধীনতা পদক’

তিন প্রতিষ্ঠানকেও সম্মাননা

চট্টগ্রামে ১৩ গুণিজন পেয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ‘স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা’ পদক। এর মধ্যে সাহিত্যে অবদানের জন্য পাঁচজনকে সম্মাননা পদক দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ৩ প্রতিষ্ঠানকেও দেওয়া হয় এই পদক।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) স্বাধীনতা বইমেলার শেষ দিনে মেলার মূল মঞ্চে গুণিজন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়াকালে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ্, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বিভাগীয় কমিশনার ডা. জিয়া উদ্দীন।

এছাড়া চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মনিরুজ্জামান, সিএমপি কমিশনার শওকত আলী উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন।

পদক পেলেন যারা

স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদানের জন্য প্রয়াত রাজনীতিবিদ আবদুল্লাহ আল নোমান (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মো. একরামুল করিম, শিক্ষাক্ষেত্রে চট্টগ্রাম পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নূর আহমদ চেয়ারম্যান (মরণোত্তর), চিকিৎসাক্ষেত্রে এম এ ফয়েজ এবং সাংবাদিকতায় দৈনিক পূর্বকোণ-এর সম্পাদক ডা. ম রমিজ উদ্দিন চৌধুরী স্বাধীনতা সম্মাননা পদকে ভূষিত হয়েছেন।

ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান,সংগীতে শিল্পী আবদুল মান্নান রানা এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় অবদানের জন্য শিল্পী বুলবুল আকতার এই স্মারক সম্মাননা পেয়েছেন। সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পদক পেয়েছেন গীতিকবিতায় ড. আবদুল্লাহ আল মামুন, শিশুসাহিত্যে সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার, প্রবন্ধ ও গবেষণায় হারুন রশীদ, কবিতায় শাহিদ হাসান এবং কথাসাহিত্যে সাংবাদিক জাহেদ মোতালেব।

আছে তিন প্রতিষ্ঠানও

সমাজসেবায় অবদানের জন্য পদক পেয়েছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, স্বাস্থ্যসেবায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা এবং রক্তদানসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমে শীর্ষস্থানীয় ভূমিকা পালনকারী একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ধারকাজ, ত্রাণ বিতরণ, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে নিরলস কাজ করছে।

১৯৭৯ সালে আন্তর্জাতিক শিশুবর্ষে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল স্বাস্থ্যসেবা এবং চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছে।

এআরই/ডিজে

ksrm