চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রায় ১৩০টি খাল প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। খালের পানিপ্রবাহ, বৃষ্টির পরিমাণ, জোয়ার-ভাটার প্রভাব, স্লুইস গেট ব্যবস্থাপনা এবং বঙ্গোপসাগরে পানি নিষ্কাশনের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) বিকেল চারটায় শুলকবহর, প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে যান অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং পার্বত্য মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। এ সময় অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন প্রকল্পটির সমাধান করতে চাই। চট্টগ্রামবাসীর জন্য এটাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করার কথা জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অনেকেই খালগুলোতে প্রতিদিনই ময়লা ফেলেন। এগুলোকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করছেন। এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম, ৩৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট মো. মহসিনুল হক চৌধুরী।
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় আট বছর ধরে চলছে প্রকল্পের কাজ। এর মধ্যে সিডিএ দুটি, সিটি করপোরেশন একটি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আবার সিডিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি করে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।
এসব প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত আট বছরে খরচ হয়েছে ১০ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা।
ডিজে




