চট্টগ্রামের স্বর্ণ ও হুন্ডি কারবারির অবৈধ সম্পদের পাহাড়, মামলা দুদকের

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার বাসিন্দা খুলু খলিফা পাড়ার আব্দুল হক। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে হুন্ডি, স্বর্ণ চোরাচালন ও মাদক ব্যবসা করে আসছেন তিনি। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বানিয়েছেন অবৈধ সম্পদ। বাড়ি লোহাগাড়া হলেও বসবাস করছেন নগরীর চকবাজারেে অভিজাত এলাকার একটি ফ্ল্যাটে। ব্যবহার করছেন টয়োটা প্রিমিও প্রাইভেট কারও।

তবে এবার তিনি পড়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে। অনুসন্ধান শেষে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছে দুদক।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টম্বর) দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ উপপরিচালক মো. আতিকুল আলম বাদি হয়ে এই মামলা করেন।

অভিযুক্ত আব্দুল হক চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার খুলু খলিফা পাড়ার হাজী ফজলুল হকের বাড়ির মৃত হাজী ফজলুল হকের ছেলে। বর্তমানে পরিবার নিয়ে নগরীর চকবাজার থানার কলেজ রোড দেবপাহাড় এসকাডেট লিবার্টি ফ্ল্যাটের এ/৬-তে বসবাস করছেন তিনি।

দুদকের মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৯ সালে অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগটি প্রাথমিক প্রমাণিত হওয়ায় সম্পদ বিবরণী আদেশ জারির সুপারিশ করেন দুদকের সাবেক উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন।

২০২০ সালের ৫ অক্টোবর আসামি আব্দুল হকের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির নির্দেশ দেয় দুদক। সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে আব্দুল হকের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ ৯২ হাজার ৬৫৮ টাকার সম্পদ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ থাকার সত্ত্বেও ভোগ দখলে রাখার তথ্য পেয়েছে দুদক। একইসঙ্গে ৫০ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছে।

এই ঘটনায় আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ উপ পরিচালক মো. আতিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘অধিকতর তদন্তে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় অন্য কারোর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’

এমএ/ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!