আক্রান্ত
১১৭৬৪
সুস্থ
১৪১৪
মৃত্যু
২১৬

চট্টগ্রামের দুই পার্ক বন্ধ হল করোনা ঝুঁকিতে

কর্ণফুলী শিশু পার্ক ও জাম্বুরী পার্ক

0
high flow nasal cannula – mobile

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এবার চট্টগ্রামে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে চট্টগ্রাম কর্ণফুলী শিশু পার্ক ও জাম্বুরী পার্কে। করোনা ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী এমন নির্দেশনা বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রাম ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার কমিশনার মাহবুবর রহমানের নির্দেশনায় বুধবার (১৮ মার্চ) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ করা হয়েছে নগরীর এই দুটি পর্যটন স্পট।

এর আগে সিএমপির ফেসবুক পেইজে বলা হয়, ‘সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসের ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের কারণে জনসমাবেশসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই করোনা সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলমান রয়েছে।’

‘গণজমায়েতসহ অযাচিত ঘোরাফেরায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় জনসাধারণের অহেতুক উপস্থিতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এতে করোনাভাইরাস খুব সহজেই এবং দ্রুত বিস্তার লাভ করতে পারে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় জনসাধারণকে অহেতুক জমায়েত হওয়া সংক্রান্তে পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল।’

সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, শুধু পতেঙ্গা, কর্ণফুলী শিশু পার্ক কিংবা জাম্বুরী পার্ক নয় করোনাভাইরাসের সংক্রামণ রোধে নগরীর সিআরবি, নেভালসহ বিভিন্ন জায়গায় নজর দেওয়া হবে। করোনাভাইরাস যাতে না ছড়ায় তার জন্য সরকার যে সকল পদক্ষেপ নেবে সিএমপি তা বাস্তবায়নে সক্রিয় থাকবে।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস ছড়িয় পড়ার শঙ্কায় সরকার ১৬ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। ১৭ মার্চ সাধারণ ছুটি পেয়ে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে জনসাধারণ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা সমালোচনা শুরু হয়। সিএমপির এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

এএ/সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm