চকরিয়ায় সাঈদীতে ধরাশায়ী জাফর, পেকুয়ায় রাজু ও ঈদগাঁওয়ে তালেব নতুন উপজেলা চেয়ারম্যান

প্রার্থীর সমর্থককে ছুরি মেরে খুন

কক্সবাজারের তিন উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও অপরটিতে বিএনপি নেতা জয়ী হয়েছেন। তবে ভোট শেষে ছুরি মেরে এক প্রার্থীর সমর্থককে খুন করা হয়েছে।

এদিকে চকরিয়া উপজেলায় আবারও হারের মুখ দেখেছেন সাবেক সাংসদ জাফর আলম। ফজলুল করিম সাঈদীর কাছে ৩ হাজার ৮৭০ ভোটে পরাজিত হন তিনি। এছাড়া ঈদগাঁও উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তালেব এবং পেকুয়া উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন শাফায়েত আজিজ রাজু।

মঙ্গলবার (২১ মে) ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের ২য় ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে চকরিয়ার ফজলুল করিম সাঈদী দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে পান ৫৬ হাজার ১২২ ভোট। আর ঘোড়া প্রতীকে জাফর আলম পান ৫২ হাজার ২৫২ ভোট।

একটি পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চকরিয়া উপজেলার ১১৪ কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ৬১ হাজার ১০৩ জন।

একইদিন অনুষ্ঠিত হয়েছে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া ও নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদের নির্বাচনও। ঈদগাঁও উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তালেব এবং পেকুয়া উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা শাফায়েত আজিজ রাজু।

তবে কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু তালেবের এক সমর্থককে ছুরি মেরে খুন করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম সফুর আলম (৩৫)। তিনি পোকখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মামমোরাপাড়ার নুর উদ্দিনের ছেলে।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঈদগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম পোকখালীতে এ ঘটনা ঘটে।

ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!