গ্রাম সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ৫ নিষেধাজ্ঞা

গ্রাম সিএনজি অটোরিকশা শহরে চলাচল, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মূল সড়কে প্রবেশসহ ৫ বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সিএমপির ট্রাফিক বন্দর বিভাগ।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) নগরের মইজ্জ্যারটেক এলাকায় এসব নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত সচেতনতামূলক ব্যানার লাগিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

ব্যানারে উল্লেখ করা হয়, পুলিশের নাম ভাঙিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশার টোকেন বিক্রি, টাকার বিনিময়ে কোনো ধরনের টোকেন গ্রহণ না করা, যাত্রী ওঠানামায় নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য জায়গায় পার্কিং করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এছাড়া গ্রাম সিএনজি ও অনটেস্ট সিএনজি মেট্রোপলিটন এলাকায় চলাচল না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় হালনাগাদ কাগজপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হলে গাড়ি আটক করা হবে বলে জানানো হয়।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে—উল্টা পথে চলাচল করলে এবং ব্রিজে ওঠার চেষ্টা করলে গাড়ি আটক করা হবে।

এ বিষয়ে সিএমপির ট্রাফিক বন্দর বিভাগের মইজ্জ্যারটেক ট্রাফিক পুলিশ বক্সের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আবু সাঈদ বাকার জানান, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আমরা সচেতনতামূলক ব্যানারে চালকদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি—ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে কোনো ধরনের টোকেন বা টোকেনের কাগজ দেখানো হলে সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেইসঙ্গে পুলিশের নাম বিক্রি করে কেউ যদি কোনো আর্থিক লেনদেনে জড়িত হয় তাদের বিরুদ্ধেও গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে ট্রাফিক বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার কবির আহমেদ জানান, মইজ্জ্যারটেক থেকে দুর্ঘটনা ও পুলিশের নাম বিক্রি করে চাঁদাবাজি বন্ধে এই সচেতনতামূলক ব্যানার লাগানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ট্রাফিক বন্দর বিভাগের প্রত্যেকটা জায়গায় এই ব্যানার লাগানো হবে।

তিনি আরও জানান, আমরা চাই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসুক, চাঁদাবাজি বন্ধের পাশাপাশি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ হোক।

ksrm