আক্রান্ত
১১৭৬৪
সুস্থ
১৪১৪
মৃত্যু
২১৬

গভীর সাগরে উড়ছে ‘বাংলাদেশ এক্সপ্রেসের’ লাল-সবুজ পতাকা

0
high flow nasal cannula – mobile

১৩০০ কনটেইনার নিয়ে আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রা করছে দেশের পতাকাবাহী দ্বিতীয় কন্টেইনার জাহাজ ‘সাহারে’। সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে জাহাজটি যাত্রা শুরু করে। লাল-সবুজ পতাকা নিয়ে প্রায় ১৮৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ছেড়ে যায় ।

বাংলাদেশি পতাকাবাহী দ্বিতীয় কনটেইনারবাহী জাহাজ ‘এমভি সাহারে’ ১ হাজার ২৮৫ টিইইউএস কনটেইনার নিয়ে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে। এর আগে ২৩ জুন যাত্রা শুরু করেছিল প্রথম জাহাজ সারেরা। এটি সিঙ্গাপুরের (পিএসএ) বন্দরে গিয়ে প্রথম নোঙ্গর করবে। এরপর যাবে মালয়েশিয়ায়।

জানা গেছে, এর আগে বেসরকারি খাতে দুটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান এইচআরসি শিপিং কোম্পানি ও কিউসি কনটেইনার লাইন বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজে কনটেইনার পরিবহন করতো। কিন্তু তারা যথাক্রমে ২০০৭ এবং ২০১০ সালে এ ব্যবসা থেকে সরে আসে।

এর ১০ বছর পর আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে পুনরায় যাত্রা শুরু হল বাংলাদেশি মালিকানাধীন কন্টেইনারবাহী জাহাজের। চট্টগ্রাম-সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং বন্দরে সারেরা ও সাহারে নামের দুটি কন্টেইনার জাহাজ পরিচালনা করছে কর্ণফুলী গ্রুপের এইচআর লাইনস লিমিটেড।

কর্ণফুলী গ্রুপের পরিচালক হামদান হোসেন চৌধুরী বলেন, ১৩০০ কন্টেইনার ভর্তি রপ্তানি পণ্য নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে প্রথম যাত্রা করেছে সারেরা জাহাজটি। এরপর করলো ‘সাহারে’। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জতিক সমুদ্র পরিবহন ব্যবসায় বাংলদেশের ভাবমূর্তি উজ্বল হবে।

তিনি বলেন, সারেরা চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি থেকে কন্টেইনার বোঝাইয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, রপ্তানিকারক, দেশি-বিদেশি শিপিং লাইন এবং সংশ্লিষ্ট সকল সেক্টর সহযোগিতা করেছে। এজন্য আমরা সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।

জানা গেছে, সারেরা ও সাহারে জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম থেকে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং বন্দরে কনটেইনার পরিবহন করবে। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার নিয়ে বন্দর দুটিতে যাবে জাহাজ দুটি। ফিরতি পথে নিয়ে আসবে আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনার। এই সেবার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশ এক্সপ্রেস সার্ভিস’।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশে গভীর সমুদ্র বন্দর না থাকায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে বড় কন্টেইনারবাহী জাহাজ ভিড়তে পারে না। ফলে আন্তর্জাতিক রুটে কন্টেইনারবাহী পণ্য পরিবহনের জন্য ছোট জাহাজের ওপর নির্ভর করতে হয়। এসব জাহাজে করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনারবাহী পণ্য নিয়ে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের বন্দরে ট্রানজিট সুবিধা নিয়ে রপ্তানি পণ্য নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো হয়। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও চীনের বন্দরগুলোতে বিদেশি ২২টি ফিডার অপারেটর ৮৪টি কনটেইনার জাহাজের মাধ্যমে ট্রানজিট রুটে পণ্য পরিবহন করে।

এর আগে বেসরকারি খাতে দুটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান এইচআরসি শিপিং কোম্পানি ও কিউসি কনটেইনার লাইন বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজে কনটেইনার পরিবহন করত। ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে এই ব্যবসায় যুক্ত হয় প্রতিষ্ঠান দুটি। এইচআরসির হাতে ১০টি ও কিউসির হাতে ৭টি জাহাজের মালিকানা ছিল। ২০০৭ সালে কিউসি ও ২০১০ সালে এইচআরসি এ ব্যবসা থেকে পুরোপুরি সরে আসে।

এএস/সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm