খেলতে গিয়ে মাথায় আঘাত, হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ৮ বছরের পরম

চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছেন সেলুন কর্মচারী বাবা

৮ বছরের শিশু পরম বসাক—যে বয়সে তার স্কুলের ক্লাসরুমে থাকার কথা, মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করার কথা, সেই সময়ে তার ঠিকানা এখন হাসপাতালে বেডে। মাথায় মারাত্মক আঘাত পেয়ে মৃত্যুর সঞ্জে পাঞ্জা লড়ছে। ৯ দিন পর জ্ঞান ফিরলেও কারও সঙ্গে কথা বলছে না, একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকছে সবার দিকে।

চট্টগ্রাম জেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণীর ছাত্র পরম। গত ১৯ জুন বিকেলে সতীর্থদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত পায় সে। এ সময় ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারালে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে ৯ নম্বর শিশু ও স্বাস্থ্য বিভাগে ভর্তি করা হয়।

১৯ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় অজ্ঞান ছিল পরম। ২৮ জুন বিকেলে তার জ্ঞান ফিরলেও এখনও পর্যন্ত কারও সঙ্গে কোনো কথা বলছে না। কাউকে চিনতে পারছে না, শুধু একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।

এ অবস্থায় বড় ছেলে চিকিৎসা খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিপুল বসাক। পেশায় সেলুন কর্মচারী বিপুল ইতোমধ্যে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছেন ছেলের চিকিৎসার জন্য। এখন ছেলের জন্য ওষুধ জোগাড় করায় রীতিমতো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে তার জন্য।

ডাক্তার বলেছেন, শিশুটির ব্রেইনে পানি জমেছে। উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।

পরম বসাকের মা টুম্পা ধর কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি টাকার জন্য ছেলের চিকিৎসা করাতে পারছি না। কেউ সহযোগিতা করলে আমার ছেলে সুস্থ হয়ে ফিরে আসবে আমার কোলে।

এদিকে শিশু পরম বসাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে সমাজের ধনী ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা আহ্বান জানিয়েছেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য উজ্জ্বল ধর ও শ্রীশ্রী শম্ভুনাথ বাবার মন্দির ভৈরব প্রাঙ্গন নিত্যধামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রতন সাধু।

আর্থিক সহযোগিতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে 01849542128 (বিকাশ), 01883311360 (বিকাশ), 01349361296 (নগদ) নম্বরগুলোতে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।

ksrm