কর্মের মাধ্যম অমর হয়ে থাকবেন দানবীর রাখাল দাশগুপ্ত

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর ও উত্তর জেলার সাবেক সভাপতি দানবীর রাখাল দাশগুপ্তের নাগরিক শোকসভা অনুুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মের মাধ্যম অমর হয়ে থাকবেন দানবীর রাখাল দাশগুপ্ত 1

শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দে এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিখিল কুমার নাথ।

শোকসভায় গীতা পাঠ করেন মাস্টার অজিত কুমার শীল, সমবেত গীতা পাঠ করেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের প্রকল্প পরিচালক রিংকু শর্মার নেতৃত্বে ট্রাস্টের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাবৃন্দ।

সভায় রাখাল দাশগুপ্তের কর্মময় জীবনী নিয়ে বক্তব্য রাখেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত, সাবেক ট্রাস্টি অ্যাডভোকেট সাধনময় ভট্টাচার্য্য, উত্তম শর্মা, প্রিয়তোষ শর্মা চন্দন, ধর্মীয় বক্তা অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্ত্তী, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার তালুকদার ও কার্যকরী সভাপতি, দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিনের উপদেষ্টা সম্পাদক আয়ান শর্মা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী, সাবেক সভাপতি সাধন ধর, বিদ্যালাল শীল, বীর মুক্তিযোদ্ধা অরবিন্দ পাল অরুণ, পটিয়া বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখর নাথ পিন্টু, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ দক্ষিণ জেলার সভাপতি বাবুল ঘোষ বাবুন ও মহানগরের সভাপতি লায়ন শংকর সেনগুপ্ত, দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদের সাবেক সভাপতি জিতেন গুহ, উত্তর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নটু কুমার ঘোষ ও সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শংকর প্রসাদ দে, রাজনীতিবিদ মিটুল দাশগুপ্ত, চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন বিশ্বাস, মহানগর পূজা পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল, দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অরূপ রতন চক্রবর্ত্তী।

আরও বক্তব্য রাখেন উত্তর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিহির কান্তি নাথ, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের প্রকল্প পরিচালক রিংকু শর্মা, ধর্মীয় বক্তা অধ্যাপক রূপন ধর ও বিশিষ্ট ব্যাংকার শম্ভু দাশ, অখণ্ড মণ্ডলীর সভাপতি অধ্যাপক সমীরন চৌধুরী, উত্তর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অমৃত লাল দে, দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সন্তোষ দাশগুপ্ত, চট্টগ্রাম ট্রাস্টের সভাপতি অরুণ কান্তি মল্লিক, জ্যোতিষবিদ মাধব আচার্য্য, লায়ন সন্তোষ কুমার নন্দী, সংগঠক রতন আচার্য্য, রাউজান আদ্যাপীঠের পরিচালনা ট্রাস্টের ট্রাস্টি কাঞ্চন তালুকদার, দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রুবেল দেব, উত্তর জেলা পূজা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন, দক্ষিণ জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার দে, মাস্টার শ্যামল দাশ, বাগীশিপ’র সভাপতি অধ্যাপক শিপুল দে, ব্যবসায় পরিমল দত্ত, জেলা পূজা কমিটির রিমন মুহুরী, কোতোয়ালী থানা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি লিটন কুমার শীল, দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মগদেশ্বরী মন্দিরের সহ-সভাপতি দোলন কান্তি ঘোষ।

শোকসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি লায়ন তপন দাশ ও চন্দন দাশ, মহানগর পূজা পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত, সংগঠক অশোক চক্রবর্ত্তী, বাগীশিক কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক পলাশ কান্তি রণি, বাগীশিক চট্টগ্রাম মহানগরের সঞ্জয় চক্রবর্ত্তী মানিক, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মচারীবৃন্দ ও ট্রাস্ট পরিচালনাধীন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাবৃন্দ, শতাধিক মঠ মন্দির পরিচালনা পরিষদ, উত্তর-দক্ষিণ-মহানগর পূজা ও জন্মাষ্টমী পরিষদ এবং থানা পূজা পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

নিহতের পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত রাখাল দাশগুপ্তের স্ত্রী পারুল দাশগুপ্ত, কন্যা সুমি দাশগুপ্ত, জামাতা অসীম দত্ত এবং পুত্রবধু ও নাতনিরা।

শোকসভায় স্মৃতিচারণ করে বক্তারা বলেন, শতাধিক মঠ মন্দির প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়ের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে দেওয়া সহ বহু ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষালাভে সহযোগিতা করেছেন। অসংখ্য কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা-মাতাকে মেয়ের বিবাহে সহযোগিতা করেছেন। সমাজের প্রতিটি স্তরে তার বিচরণ ছিল। তিনি কর্মের মাধ্যম অমর হয়ে থাকবেন। তিনি আমৃত্যু স্বধর্ম ও সমাজের জন্য কাজ করে অসংখ্য মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছেন আজকের সমাগমের মাধ্যমে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি সনাতনী সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার মৃত্যুতে তার এই স্থান অপূরণীয় থেকে যাবে। সকলে কণ্ঠস্বরে বলেন, ‘কীর্তিমানের মৃত্যু নেই’।

বক্তারা আরও বলেন, শুধু স্মৃতিচারণ নয়, তার কর্মময় জীবনের আদর্শ প্রতিটি নাগরিকের জীবনে ধারণ ও অনুসরণীয়। তার কর্মই মানুষ তাকে আজীবন স্মরণ করবে।

ksrm