পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর এবার সংগঠন থেকে বহিষ্কার হয়েছেন ইকবাল আল ফারুখ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথি চৌধুরীর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে এই বহিষ্কারাদেশের কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সামাজ বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ইকবাল আল ফারুখকে কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতি সম্পাদকের পদ থেতে বহিষ্কার করা হলো এবং সেই সাথে স্থগিত হয়েছে তার যুবলীগের প্রাথমিক সদস্য পদ। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশক্রমে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি সোলায়মান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক সেলিম হকের পরমর্শে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত বুধবার (১১ মার্চ) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল কর্ণফুলী থানা পুলিশ।
প্রসঙ্গত, একটি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধির আড়ালে বঙ্গোপসাগর থেকে কর্ণফুলী চট্টগ্রামে ইয়াবা চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয় ইকবাল। খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মূলত ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন শিকলবাহার মহসিন। এই এলাকার ইকবাল আল ফারুখের সাথে সিন্ডিকেট করে প্রায় ছয় বছর ধরে ইয়াবার ব্যবসা করত এই দুইজন। তবে গত বছর কক্সবাজার এলাকার খুরুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ মহসিনকে। পরে সাগর পথে ইয়াবা পাচারের সাথে জড়িত থাকার ব্যাপারে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিল মহসিন। এ সময় ইকবালের জড়িত থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছিল মহসিনের জবানবন্দিতে।
এএ/এসএস



