করোনার কঠিন পরিস্থিতিতেও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল আইসিইউ শূন্য। এ নিয়ে অনেক লেখালেখি ও সমালোচনার পর প্রথমে ৫টি, এরপর আরও ৫টি বরাদ্দ দিয়ে ১০ বেডের আইসিইউ ওয়ার্ড প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। সেই ওয়ার্ড প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক কাজগুলো চলছে বর্তমানে। তবে এর মধ্যে আশার আলো হয়ে উঠেছে আরও একটি খবর। ভেন্টিলেটরযুক্ত ১০টি বেডের সাথে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরও ৮টি বেড।
৫ বছর আগে কেনার পর থেকেই এই ৮টি বেড জেনারেল হাসপাতালের গুদামঘরে পড়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। এগুলোর কেনাকাটায় রয়েছে দুর্নীতির অভিযোগ। দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে দেখা যায়, ২০১৪-১৫ সালে তৎকালীন সিভিল সার্জন ও জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরফরাজ খান চৌধুরীসহ সাতজন প্রায় ১৫ কোটি টাকায় ১২ ধরনের যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৯ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন। এখন করোনাভাইরাসের এমন দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বিশেষ বিবেচনায় ওই ৮টি বেড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কারণ বিশ্বব্যাপী করোনা দুর্যোগের এই সময়টাতে চাইলেও নতুনভাবে এ ধরনের বেড কেনা যাচ্ছে না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য বিভাগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডা. আবুল হাসান শাহরিয়ার চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে আমাদের জানানো হয়েছে ওই ৮টি বেড নতুন ১০টি সাথে সংযুক্ত করতে। আমরা শুধু অফিসিয়াল ফরোয়ার্ডিংয়ের অপেক্ষায় আছি। দুদকের সাথে কথা বলে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাওয়া মাত্রই আমরা ওই আটটি বেড সংযুক্ত করে নেবো।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ বেড সংকট নিয়ে চট্টগ্রাম প্রতিদিন একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল। সর্বপ্রথম ৫টি বেড বরাদ্দের খবরও পাঠকদের জানিয়েছিল চট্টগ্রাম প্রতিদিন।
এফএম/সিপি



