আক্রান্ত
৯৮৮৮
সুস্থ
১১৯৫
মৃত্যু
১৮৯

করোনার রেডজোনে পড়লো কক্সবাজারের যেসব এলাকা

1
high flow nasal cannula – mobile

কক্সবাজার পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে শুধুমাত্র ১ নম্বর ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডকে ‘ইয়েলো জোনে’ এবং বাকি ১০টি ওয়ার্ডকে করোনার ‘রেড জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে কমিটি থাকবে। কক্সবাজার পৌরসভার কাউন্সিলর হবেন কমিটির প্রধান। প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে যুবক ও ছাত্রদের নিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হবে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (৪ মে) সকালে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কমিটিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ সার্বিক সহযোগিতা করবেন।

সভায় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেগুলো হল কক্সবাজার পৌরসভার যে ওয়ার্ডগুলোকে ‘রেড জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেসব এলাকা থেকে কোনো লোক বাহির ও প্রবেশ করতে পারবে না। এলাকাগুলো সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ থাকবে। প্রয়োজনে সেসব এলাকার গরিব, অসহায়, নিন্মআয়ের মানুষকে সরকারিভাবে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হবে। যে ওয়ার্ড দুটিকে ‘ইয়েলো জোন’ চিহ্নিত করা হয়েছে সে দুটি ওয়ার্ডের সবকিছু সীমিত আকারে চলবে, সবার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে, সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে অন্যান্য নির্দেশনা মানতে বাধ্য করা হবে এ দুটি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের।

সভায় কক্সবাজার পৌরসভায় কোন ওয়ার্ডকে ‘গ্রিন জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়নি। একইভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করেই কক্সবাজার পুরো জেলাকে তিনটি জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলার ৮টি উপজেলাকে ইউনিয়নভিত্তিক এবং চারটি পৌরসভায় ওয়ার্ডভিত্তিক করোনা সংক্রমণের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে এই বিভাজন করা হয়।

বিভাজনে যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড করোনায় বেশি সংক্রমিত হয়েছে এবং সংক্রামণের আধিক্য বলে তথ্য রয়েছে, সেগুলোকে ‌রেড জোন বা লাল চিহ্নিত এলাকা, যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড মাঝারি পর্যায়ে সংক্রামিত হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে সেগুলোকে ইয়েলো জোন বা হলুদ চিহ্নিত এলাকা এবং যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে করোনা একেবারে সংক্রমিত হয়নি সেগুলোকে নিরাপদ রাখতে গ্রিন জোন বা সবুজ চিহ্নিত এলাকা হিসাবে বিভক্ত করা হয়েছে। আর যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড ‘গ্রিন জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হবে সেখানে সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অন্যান্য নির্দেশনা মতো প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থাকবে।

এএইচ/সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

Manarat
1 মন্তব্য
  1. Yousuf Haroon বলেছেন

    Chittagong is worse than Cox’s Bazar.
    Why aren’t dicalering red zone or imposeing lockdown. What’s the number of death or infected people needed to declare red zone. Where’s the problem?

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm