এলিটের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার, মিরসরাইয়ে এক সন্ত্রাসী আটক

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে মিরসরাই থেকে মিঠু নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করেছে ডিএমপি ডিবির সাইবার ইউনিট। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে মিরসরাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি ডিবির সাইবার ইউনিটের সদস্যরা।

এর আগে ১৯ নভেম্বর কামাল উদ্দীন নামে এলিটের এক কর্মী বাদি হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপির বনানী থানায় একটি জিডি করেন। সেই জিডির তদন্তে আটকদের সম্পৃক্ত পেয়ে ডিবির একটি দল তাকে আটক করে।

অভিযুক্তরা হলেন, আবুল হাসনাত ওরফে হাবিব খান (৩২), আশরাফুল কালাম মিঠু (৩৬), শামিম হাসান রেহান (২৮), আরাফাতুল ইসলাম, কামরুল হাসান প্রকাশ ভুয়া সাংবাদিক, ওমর ফারুক, প্রিন্স হাবিব, মো. হাসান রনি, ইমরান হোসেন তুহিন, আশ্রাফ উদ্দিন চৌধুরী, আর এন এম মোজাহিদ হোসাইন, একরামুল হক সোহেল, মো. ইবরাহিম নিশান সহ অজ্ঞাত আরও কিছু ব্যক্তি এই ধরনের কর্মকাণ্ডে মূলত যুক্ত।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রামের আবুল হাসনাত ওরফে হাবিব খান ও সন্ত্রাসী আশরাফুল কালাম মিঠুর নির্দেশনা,পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে আরো কিছু ব্যক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিটকে সামাজিকভাবে হেয়পতিপন্ন ও সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালাচ্ছেন দীর্ঘদিন যাবত।

নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের জনপ্রিয়তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানে ঈর্ষান্বিত হয়ে তারা এ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়। নিয়াজ মোরশেদ এলিটের সুনাম নষ্টের উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচার এবং প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছে এ কুচক্রি মহল। তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

Yakub Group

ফেসবুকে অপপ্রচারকারীদের মধ্যে আশরাফুল কামাল মিঠু সহ বেশ কয়েকজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গত ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে মিরসরাই উপজেলার ১২ নম্বর খৈইয়াছড়া ইউনিয়নের নয়দুয়ার এলাকায় নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের বাড়িতে বোমাবাজি ও গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে।

এই সময় এলিট অভিযোগ করে বলেছিলেন, মিরসরাইয়ে দশজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার বিতরণ করার কর্মসূচি শেষ হতে না হতেই আশরাফুল কামাল মিঠুর সেকেন্ড ইন কমান্ড আলমগীর হোসেন ও কামরুল হাসান এবং উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক, ধর্ষণ এবং ছিনতাই, মাদক মামলার আসামী মাসুদ করিম রানার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি গুলি করার পর রকেট লেঞ্চার ও হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

যার ভিডিও ফুটেজ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং মিরসরাই উপজেলার দুই প্রেসক্লাবের সামনে এমন ঘটনা ঘটে।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm