আক্রান্ত
৯১২৩
সুস্থ
১০৮৪
মৃত্যু
১৮৪

এবার ৩০ জন হামে আক্রান্ত হলো খাগড়াছড়িতে

চিকিৎসা পাচ্ছে না দীঘিনালার বাঙ্গালি পাড়া

0
high flow nasal cannula – mobile

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি ও খাগড়াছড়ি দিঘিনালা মাঝামাঝি স্থান মেরং ইউনিয়ন এলাকার ‘৪ কিলো বাঙ্গালি পাড়া’ গ্রামে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০ পরিবার। শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কসহ অন্তত ৩০ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসা বা পথ্য ছাড়া মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। তাদের মধ্যে শামিম, সেকান্দার আলী, গেদাসহ ৫ পরিবারের সদস্যদের অবস্থা সংকটাপন্ন।

জানা গেছে, দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি দুই উপজেলার মাঝামাঝি স্থান এটি। তবে ইউনিয়নটি পড়েছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার অধীনে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাঘাইছড়িতে চলমান হাম চিকিৎসা সেবা এখানে পৌঁছেনি। চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার খেটে খাওয়া দরিদ্র পরিবারগুলো।

বুধবার (২২ এপ্রিল) গ্রামটিতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বড় ফোসকা, সাথে জ্বর, শরীর ব্যাথায় ভুগছেন ১২ শিশুসহ অন্তত ৩০জন। ১০টি পরিবারের প্রায় সব সদস্যই আক্রান্ত। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে রোগটি আরও ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনার কথা বলেছেন অনেকেই। এলাকায় বসবাসকারী অন্যরাও আতংকে রয়েছেন।

মেরং গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, বসতবাড়ি ও ভোটার খাগড়াছড়ি দিঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের হলেও আমদের পড়াশোনা ও চলাচল বা হাটবাজার করা হয় বাঘাইছড়ি উপজেলায়। রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি দুই জেলার মাঝমাঝি স্থান এটি। এ কারণেই নজরে আসেনি কারোরই। আমরা কখনো টিকার আওতায়ও আসিনি।

এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.ইফতেখার আহম্মেদ বলেন, ‘আমরা সংবাদ পেয়েছি কিছু লোক হামে আক্রান্ত হয়েছেন। সীমানা জটিলতায় আমরা ওখানে গিয়ে সেবা দিতে পারছি না। কারণ ওই স্থান খাগড়াছড়ি জেলার অধীনে পড়ে। তবে কেও যদি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসে আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেব।

তিনি আরও বলেন, ‘হামের বিষয়ে আমাদের রিপোর্ট তৈরি করতে হয়। খাগড়াছড়ির দিঘিনালার মধ্যে পড়ায় আমরা আমরা রিপোর্টও করতে পারছি না।’

এদিকে দিঘিনালা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তনয় তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের ওই এলাকাটির বিষয়ে ধারণা নেই। আমরা খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করব।’

এদিকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে অনেকেও অবস্থা সংকটাপন্ন পর্যায়ের। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে এলাকার অন্য বসবাসকারীরাও।

এসএস

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

Manarat

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm