পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে শারজাহ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাত বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মাদকপাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. সোহেল চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ধুরুং গ্রামের বাসিন্দা মো. শফির ছেলে।
আদালত সূত্র জানা গেছে, রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন সোহেল। ফলে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছে আদালত ।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১ জুন বিকেলে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি প্রবেশ গেটসংলগ্ন এপিবিএন চেকপোস্টের দায়িত্বকালে সোহেলের হাতে থাকা একটি স্কুলব্যাগ ও পায়ে থাকা কেডস তল্লাশি করা হয়। এ সময় স্কুলব্যাগ থেকে ২ হাজার ৫টি এবং কেডসের ভেতর থেকে আরও ২ হাজার ৯৯৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং পরে তাকে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে শারজাহগামী একটি বিমানের টিকিটও পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহে ইয়াবাগুলো নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। সেখানে পরিচিত ব্যক্তিদের কাছে বিক্রির পাশাপাশি নিজেও সেবনের উদ্দেশ্যে এসব ইয়াবা বহন করছিলেন বলেও জানান তিনি।
ঘটনার পর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের উপপরিদর্শক মো. আবুল কালাম বাদি হয়ে পতেঙ্গা থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় ঘোষণা করেন।
এনএইচ/ডিজে




