চট্টগ্রাম বাঁশখালীর ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের মামলায় তাকে এই সাজা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
মুজিবুল হক চৌধুরী (৫৬) বাঁশখালীর ১০ নম্বর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
আদালতের রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ১ বছর কারাভোগ করতে হবে।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি জানান, মুজিবুল হক চৌধুরী তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছিলেন, যা আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামির মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। ফলে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পায়নি তদন্ত সংস্থা।
২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম- ২ এ মামলাটি দায়ের করা হয়।
তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০২৫ সালের ৩ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।
এএইচ/ডিজে




