রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে আবৃত্তি, গান ও কথামালায় কবিগুরুকে স্মরণ করেছে উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জ।

বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারি হলে আয়োজিত ‘শ্রাবণে রবীন্দ্রনাথ’ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর রচনায় বাঙালির মনস্তত্ত্বকে যেভাবে বিশ্লেষণ ও তুলে ধরেছেন, তা আর কেউ করেননি। এ কারণে তিনি এখনো বাঙালির চিরকালীন চেতনার চিরঞ্জীব বাতিঘর হয়ে আছেন। বাঙালির আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখের সবখানেই তাঁর অবাধ যাতায়াত রয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে উচ্চারক সভাপতি, আবৃত্তিশিল্পী ও সাংবাদিক ফারুক তাহের সভাপতিত্ব করেন। অতিথি আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন লেখক ও সংগঠক সজল চৌধুরী এবং কলামিস্ট ও সংগঠক আকতার কামাল চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন উচ্চারকের সহ-সভাপতি এএসএম এরফান।
উচ্চারক সদস্য তাফসিরুল ইসলাম ও বর্ণি দে পুতুলের সঞ্চালনায় রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মো. মোস্তফা কামাল, শিল্পী কান্তা দে, শিল্পী পাপিয়া দে, শিল্পী মৌটুসী আফরিন তিতলী ও তুলতুল চৌধুরী।
একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পী তৃষ্ণা ভট্টাচার্য্য, বনকুসুম বড়ুয়া, মিশু ভট্টাচার্য্য, সুমি বিশ্বাস, প্রণীতা দেব চৈতী, মিথিলা মল্লিক, নিহারিকা পাল, মনজুর আলম ও অর্পিতা ধর।
উচ্চারক সদস্যদের মধ্যে একক আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী মৌসুমী চক্রবর্তী, শাহ হোসাইন, তারানা কবির, সাইয়ারা সালসাবিল, পাপড়ি দে, তিন্নি বৈদ্য, অনিরুদ্ধ বিশ্বাস, রাফিয়া জাহেদ, মোবাশ্বির মাহির ও আযফার আহিল।
বৃন্দ আবৃত্তি ‘বর্ষার গান’ ও ‘ইসটেশন’ পরিবেশন করেন উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জ ও উচ্চারক শিশু কুঞ্জের শিল্পীরা।
অনুষ্ঠানে উচ্চারক সদস্য ও নৃত্যশিল্পী মৃত্তিকা বড়ুয়ার স্থায়ীভাবে ইউরোপযাত্রা উপলক্ষে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় উচ্চারক শিশু কুঞ্জের সদস্য সাইয়ারা সালসাবিল, তাথৈ বড়ুয়া, বুশরা আলম, প্রিয়ন্তী বড়ুয়া, পড়শী বড়ুয়া, ইয়াকিন ও আংকিতা বড়ুয়ার কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য সংবর্ধনা দেওয়া হয়।




