চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পড়ৈকোড়া এলাকার শ্রীনাথ পণ্ডিতের বাড়িতে বড় পরিসরে গণেশ পূজা করেছে সম্প্রীতি পরিষদ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিনভর নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে চলে পূজার আয়োজন। সন্ধ্যায় আরতি ও ভক্তিগীতির পর রাতেই শেষ হয় এবারের আয়োজন। পূজাকে কেন্দ্র করে হাজারো দর্শনার্থীর সমাগম হয়।
জানা গেছে, সম্প্রীতি পরিষদের আয়োজনে ২০২৩ সাল থেকে শ্রীনাথ পণ্ডিতের বাড়িতে গণেশ পূজা হয়ে আসছে। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে। এবার গত বছরের তুলনায় আরও বড় পরিসরে পূজার আয়োজন করা হয়। পূজার জন্য তৈরি করা হয় ৭ ফুট উচ্চতার গণেশ প্রতিমা। প্রতিমাটি তৈরি করেছেন চকবাজারের মৃৎশিল্পী তাপস পাল।
আয়োজকেরা জানান, পূজার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় ১১ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। পরে ভক্তদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
দিনের শুরুতে গণেশ প্রতিমা স্থাপন, প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও সংকল্পের মধ্যদিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর গণেশের বিশেষ পূজা ও পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া হয়। পূজায় দুর্বা, ফুল, ফল ও মোদক নিবেদন করেন ভক্তরা। এছাড়া গণেশের ১০৮ নাম পাঠ ও মন্ত্রোচ্চারণ, গণেশ বন্দনা এবং স্তোত্র পাঠ করা হয়।
সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় সন্ধ্যা আরতি ও ভক্তিগীতি। পরে ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। রাতেই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে শেষ হয় এবারের গণেশ পূজা।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অয়ন ভট্টাচার্য শান্ত বলেন, শ্রীনাথ পণ্ডিতের বাড়িতে ২০২৩ সাল থেকে গণেশ পূজা হচ্ছে। এবারও সবাইকে নিয়ে সুন্দরভাবে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। দিনভর বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যায় আরতি ও ভক্তিগীতির আয়োজন ছিল।
সম্প্রীতি পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিক দাশ জয় বলেন, প্রতিবছরই আমরা গণেশ পূজার আয়োজন করছি। এবার গত বছরের তুলনায় বড় পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে। পূজাকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা এসেছেন। ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য ধরে রাখাই আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।




